হাসপাতালের শৃঙ্খলা রক্ষা করা এটা আমাদের দায়িত্ব নয়, প্রশাসনের ডাঃ ইয়াসিন আরাফাত
বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্স কাদিপুর, ফ্রি সরকারি স্বাস্হ্য সেবা নিতে শত শত নারী পুরুষ ও শিশু দুর্যোগ করোনাকালীন সময় স্বাস্হ্য বিধি লঙ্গন করে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ও টেশা টেশিতে! কার আগে কে গ্রহণ করতে পারেন চিকিৎসা টেকেট।
স্বাস্হ্য বিধির নেই কোন বালাই ! হাসপাতালের টিকেট রেজিস্ট্রিশন কাউন্টারে
নারী পুরুষ ও শিশুদের আহাজারীতে আত্তাল হাসপাতাল!
১৬ আগস্ট সোমবার বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে স্বরজমিনে গেলে এমন দৃশ্য প্রমাণিত হয়েছে।
বিষয়টি অবগত করণে উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ডাঃ আব্দুর রহমানের অফিসে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আলী আহমদ জানান, স্যার ট্রেনিং এ গেছেন।
প্রশাসনিক কর্মকর্তা আলী আহমদের কাছে তার পরিবর্তে কে আছেন জানতে চাইলে তিনি জানান, ডাঃ ইয়াসিন আরাফাত স্যার আছেন।
ডাঃ ইয়াসিন আরাফাতের কাছে হাসপাতালের স্বাস্হ্য বিধি অমান্য করে শত শত রোগী সিরিয়েল লাইনে এই বেহাল অবস্হা বিষয়টি কেমন ভাবে দেখছেন প্রশ্ন উত্তাপন করলে তিনি বলেন, হাসপাতালের শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব আমাদের নয়, প্রশাসনের! আমরা চিকিৎসা সেবা দিব, না শৃঙ্খলা রক্ষা করাবো! পূর্বের চাইতে বর্তমানে রোগী বেশী হয়েগেছে।
গতকাল ১৫ই আগস্ট শোক দিবসেও দুই শত রোগী দেখতে হচ্ছে! কি করণীয় আমাদের?
ডাঃ ইয়াসিন আরাফাত এই প্রশ্নের জবাবে আরোও বলেন, সরকার যদি আউটডোর করে প্রতি দিন রোগী দেখার একটা লিমিটেশন করতেন দশজন অথবা বিশ জন তাহলেত হতো।
তিনি বলেন, পুলিশ লাঠি দিয়ে পিটালেও এ শৃঙ্খলা রক্ষা করতে ব্যর্থ হবে! আর টিকা প্রদানকালে এমনত দেখাই যাচ্ছে!
বিভিন্ন স্হানে।
হাসপাতালের স্টাফ কি পর্যাপ্ত আছে? এ প্রশ্নের জবাবে ডাঃ ইয়াসিন আরাফাত বলেন, এটাত আপনারা জানেনই।
স্টাফ সংকটের জন্য চিকিৎসা সেবা সংকুলান সম্ভব হচ্ছে বলে জানান তিনি।
করোনা টিকা ১ম ডোজের জন্য হাসপাতাল থেকে অনেকজন ফিরে ফিরে ডোজ না পেয়ে যাচ্ছেন কেন? বিষয়টি জানতে চাইলে ডাঃ ইয়াসিন আরাফাত বলেন, ১ম ডোজের টিকা শেষ হয়েগেছে। সরকার বিদেশ থেকে এনে তারপর জনগণ দিতে পারবে।
কত দিন সময় লাগবে জানতে চাইলে তিনি জানান,আরোও এক সাপ্তাহ সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন।



কোন মন্তব্য নেই